অমর একুশে ৮ই ফাল্গুন,১৪২৮

‘বাংলার বুকের রক্তে রাঙানো আটই ফাল্গুন
     ভুলতে কি পারি শিমুলে পলাশে হেরি লালে লাল খুন’

আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ দিবস তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরো অনেক বিপ্লবী,সাহসী তরুণ। যে চেতনার সুপ্ত বীজ থেকে পরবর্তীতে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন দেশ, একটি স্বাধীন জাতি।

একুশ একটি চেতনার নাম, প্রেরণার নাম। যে চেতনা, যে প্রেরণা দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল। ২০০০ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে বিশ্বব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। বাঙালি ভাষার জন্য লড়াই করা, আত্মত্যাগ করা প্রথম জাতি; যে দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল এবং জাতি হিসেবে যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

ফাগুনের শিমুল,পলাশ,কৃষ্ণচূঁড়ার রক্তলাল রঙ আমাদের ক্ষণে ক্ষণে ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের কথা মনে করিয়ে দেয়। যাদের আত্মত্যাগে আমরা পেয়েছি আমাদের আপন মাতৃভাষা, বাংলা ভাষা।
গাছে গাছে গজানো নতুন, কচি পাতা যেনো আমাদের আশা দেখায় শহীদদের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার, নতুন দিন গড়ার। যে চেতনার অংশীদার হবো আমরা, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম। সেই সাথে সর্বদা নিজেদের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবো এবং অন্যান্য সকল ভাষাকেও যথাযোগ্য মর্যাদা দান করবো।
আজকের এই মহান দিনে KIN শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সেই সকল সাহসী, বীর সূর্যসন্তানদের; যাদের সাহসিকতার ফলস্বরূপ আমরা আজও গর্বের সঙ্গে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি, বাংলাকে বুকে লালন করতে পারি। একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হবে দেশ এবং সতত তা বিরাজ করবে দেশের মানুষের মনে- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এটাই KIN এর প্রত্যাশা।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

Leave a Comment

Your email address will not be published.