“যেখানেতে দেখি যাহা
মা-এর মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই”

আজ মে দিবসের দ্বিতীয় রবিবার তথা ৮ই মে, বিশ্ব মা দিবস

প্রাচীন গ্রিসে ধারণাটির উদ্ভব হলেও আধুনিককালে বিশ্ব মা দিবসের প্রবর্তন করেন আনা মারিয়া রিভস জারভিস নামক একজন মার্কিন নারী। তার মা আনা জারভিস ১৯০৫ সালে মারা গেলে মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য, মায়েদের সম্মানার্থে তিনি মা দিবস পালনে সোচ্চার হন।

পরবর্তীতে ১৯১৪ সালের ৮ই মে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘বিশ্ব মা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।সেই থেকে ৪০টিরও বেশি দেশ বর্তমানে বিশ্ব মা দিবস পালন করে থাকে।

মা; পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর, সুমিষ্ট, সবচেয়ে আপন একটি শব্দ, সবার ভরসার জায়গা। গর্ভধারণ থেকে শুরু করে আমাদের জন্ম, লালন-পালন,পড়ালেখা, শাসন, আদর-যত্ম, আস্তে আস্তে পরম মমতায় বড়ো করে তোলা সবকিছুর প্রধান কারিগর হচ্ছেন আমাদের মা।

মা হচ্ছেন এমন একজন যিনি সন্তানের জন্য সাধ্যের মধ্যে জগতের সবকিছু করতে সক্ষম। সন্তানের খুশির জন্য, সুখের জন্য, সন্তানের ভালোর জন্য, সন্তানের সুন্দর একটি ভবিষ্যতের জন্য যাকে নিজের সুখ বিসর্জন দিতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয় না; সন্তানের নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে যিনি শত দুঃখ-কষ্ট, শত অবহেলা-অপমান সহ্য করতেও সর্বদা প্রস্তুত; তিনিই আকাশ সমান ধৈর্য্যের অধিকারিণী আমাদের জন্মদাত্রী মা।

মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা, মা এবং সন্তানের মধ্যকার স্বর্গীয় সম্পর্ক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এটি একটি অনুভূতি,অনুভবেই যে অনুভূতির স্নিগ্ধতা,পবিত্রতা। যা কিছুই করি না কেনো, দিনশেষে আমরা জানি আমাদের একজন মা আছেন, যিনি সবকিছু সামলে নিবেন, আমাদের ভালোবাসবেন, স্নেহের পরশ বুলিয়ে আমাদের কাছে টেনে নিবেন।

মায়ের প্রতি এই অনুভূতি যেনো আমাদের চিরকাল অটুট থাকে, তাদের খুশি, তাদের কষ্ট যেনো আমরা নিজেদের করে নিতে পারি, তাদের সেবা-শুশ্রূষায় কখনো যেনো কোনো কমতি না থাকে- বিশ্ব মা দিবসে এই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা। জগতের সকল মমতাময়ী মা-দেরকে KIN এর পক্ষ থেকে জানাই বিশ্ব মা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

Leave a Comment

Your email address will not be published.